ছোট্ট জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছুই শেখা যায়। তার মধ্যে একটি হলো—কেউ যখন অন্য কাউকে হিংসা করে, তখন অনেক সময় তার মনে সেই ব্যক্তির ক্ষতি কামনা করার প্রবণতা তৈরি হয়। সামর্থ্য থাকলে সরাসরি ক্ষতি করার চেষ্টা করে, আর সামর্থ্য না থাকলে কখনো কখনো মিথ্যা অপবাদ বা বদনাম ছড়ানোর পথ বেছে নেয়।
বিষয়টি দুঃখজনক হলেও কখনো কখনো তা হাস্যকরও মনে হয়। কারণ অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে কেউ নিজের অবস্থানকে বড় করতে পারে না।
হিংসা করা মানুষগুলোর প্রতিও তাই শুভকামনা থাকা উচিত। তারা যেন নিজেদের অন্তরের অশান্তি কাটিয়ে শান্তি ফিরে পায়—এই দোয়াই করা ভালো।
বাবার একটি কথা আজও মনে পড়ে—“তোমার যোগ্যতা না থাকলে তোমাকে কেউ হিংসা করবে না।” কথাটির গভীরতা সময়ের সঙ্গে আরও উপলব্ধি করা যায়।
তাই কেউ যদি বুঝতে পারে, তাকে হিংসা করা হচ্ছে, তার উচিত প্রতিশোধের পথে না গিয়ে নিজের কাজ ও লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ দেওয়া। কাউকে ছোট করার চেষ্টা না করে, সবাইকে ক্ষমা করে নিজের পথে এগিয়ে যাওয়াই হতে পারে হিংসুকের প্রতি সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব।
কারণ অন্যের ক্ষতি করতে গিয়ে যে মানুষ হিংসার আগুনে নিজেই জ্বলতে থাকে, তাকে পরাজিত করার জন্য আলাদা কোনো প্রতিশোধের প্রয়োজন হয় না। নিজের সাফল্য, শান্তি ও সুন্দরভাবে এগিয়ে চলাই যথেষ্ট।
মন্তব্য